চাঁদপুর সকাল

চাঁদপুরে ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান

১৯ দিন আগে
চাঁদপুরে ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান

সারাদেশের ন্যায় চাঁদপুরেও শুরু হয়েছে ভিটামিন ‘এ প্লাস’ ক্যাম্পেইন এবং চাঁদপুরে ভিটামিন ‘এ প্লাস’ খাওয়ানো হবে ৩ লাখ ৬৬ হাজার শিশুকে। রোববার (২৮ জুন) চাঁদপুরে জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন ২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন করেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ নুর আলম দীন, চাঁদপুর পৌরসভার প্রশাসক মো: এরশাদ উদ্দিন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ রফিকুল হাসান ফয়সল, SIMO ডা. মালিহা পারভীন, চাঁদপুর পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং জেলা ইপিআই সুপারিনটেনন্ডেন্ট। শিশুদের নীল ও লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাইয়ে এই জাতীয় ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়।

চাঁদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নূর আলম দীন জানান, জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের আওতায় চাঁদপুর জেলার ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। এর মধ্যে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী শিশুদের একটি নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুদের একটি লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল প্রদান করা হবে।

তিনি বলেন, ভিটামিন ‘এ’ শিশুদের রাতকানা রোগ প্রতিরোধ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অপুষ্টিজনিত জটিলতা হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই প্রতিটি যোগ্য শিশুকে এ ক্যাম্পেইনের আওতায় আনা অত্যন্ত জরুরি। সিভিল সার্জন আরও জানান, জেলার সকল উপযুক্ত শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্রের মাধ্যমে ক্যাম্পেইন পরিচালিত হবে। স্বাস্থ্য বিভাগের পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতা এ কার্যক্রম সফল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন, ক্যাম্পেইনের দিন কোনো শিশু বাদ পড়লে তাদের খুঁজে বের করে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো নিশ্চিত করতে বিশেষ ‘বাদপড়া শিশু অনুসন্ধান কার্যক্রম’ পরিচালনা করা হবে।

এ কার্যক্রমের আওতায় মাঠপর্যায়ে প্রস্তুতকৃত ওয়ার্ড ম্যাপ অনুযায়ী প্রতিটি সাব-ব্লকে প্রতিদিন দুটি বিশেষ দল সকাল ৮টা থেকে কাজ শুরু করবে। প্রতিটি দলে দুইজন করে মাঠকর্মী থাকবেন। তারা প্রত্যন্ত এলাকায় গিয়ে প্রতিদিন গড়ে ২০ জন বাদপড়া শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যে কাজ করবেন। চার দিনের মধ্যে পুরো ওয়ার্ডের অনুসন্ধান কার্যক্রম সম্পন্ন করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন সম্পর্কে সঠিক তথ্য জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে সাংবাদিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাপক প্রচারণার মাধ্যমে অভিভাবকদের সচেতন করা গেলে কোনো শিশু এ কার্যক্রম থেকে বাদ পড়বে না এবং ক্যাম্পেইনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সহজ হবে।