হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ব্যাপক অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে: দুদকের অভিযান

দুদকের অনুসন্ধানে জানা যায়, রোগীদের দুপুরের খাবারে মুরগির পরিবর্তে পাঙ্গাস মাছ দেওয়া হচ্ছে, যদিও সরকারি নথিতে রুই মাছ সরবরাহের কথা রয়েছে। এছাড়া, সরকারি নির্দেশনায় প্রত্যেক রোগীকে ১৮৬ গ্রাম মাছ প্রদান করার কথা থাকলেও বাস্তবে মাত্র ৮৮ গ্রাম মাছ দেয়া হচ্ছে। এ সংক্রান্ত কাগজপত্রসহ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে দুদক কার্যালয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
অভিযানে দুজন চিকিৎসককে কর্মস্থলে অনুপস্থিত পাওয়া গেছে, যাদের কোনো বৈধ অনুপস্থিতি পত্র ছিল না। হাসপাতালে কর্মরত অবস্থায় একজন চিকিৎসক টাকার বিনিময়ে রোগী দেখানোর প্রমাণও পেয়েছে দুদক। হাসপাতালের অপরিষ্কার পরিবেশ এবং নার্সদের দুর্ব্যবহারের অভিযোগও তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে।
বিদ্যুৎ বিল বকেয়া রেখে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ প্রসঙ্গে দুদক জানায়, বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হবে এবং সংশ্লিষ্ট নথিপত্র সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা. কেএম আব্দুল্লাহ আল মামুন দুদককে সকল প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করে সহযোগিতা করেছেন।
অভিযান শেষে দুদক চাঁদপুর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আজগর হোসেন জানান, তারা প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ করে প্রধান কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দেবেন এবং কমিশনের নির্দেশনায় পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




