চাঁদপুর সকাল

চাঁদপুর পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কন্ফারেন্সে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট

২ মাস আগে
চাঁদপুর পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কন্ফারেন্সে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট

চাঁদপুরে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের উদ্যোগে পুলিশ–ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে।


সভার মূল লক্ষ্য ছিল বিচারিক কার্যক্রমের অগ্রগতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং ফৌজদারি মামলার তদন্ত ও বিচার ব্যবস্থার মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা।


শনিবার ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫ সকাল ১০টায় আদালত ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত কনফারেন্সে সভাপতিত্ব করেন চাঁদপুর জেলার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুজাহিদুর রহমান।


সভাপতির বক্তব্যে চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুজাহিদুর রহমান বলেন বিচারিক কার্যক্রমের স্বচ্ছতা ও কার্যকরতার উপর রাষ্ট্রের আইন শৃঙ্খলা এবং নাগরিকদের নিরাপত্তা অনেকাংশে নির্ভর করে। ফৌজদারী বিচার ব্যবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হল পুলিশ। আইন প্রয়োগে পেশাদারিত্ব এবং মামলার তদন্ত প্রক্রিয়ায় দক্ষতা প্রমাণের মাধ্যমে অপরাধীদের সাজার হার বাড়ানোর ক্ষেত্রে মনোযোগী হওয়ার জন্য তাগিদ দেন।

কনফারেন্সে আলোচনা করা হয় চুরি ও ডাকাতি মামলায় লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার কার্যক্রম, মাদক মামলা, বাল্কহেড সংশ্লিষ্ট মামলায় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-নিরাপত্তা অধ্যাদেশ, ১৯৭৬ এর প্রয়োগ, মৎস্য আইনের মামলায় সামারি ট্রায়ালের প্রয়োগ এবং বিচারিক কার্যক্রমে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা ও তা নিরসনে করণীয় বিষয়। এছাড়া মামলা নিষ্পত্তির গতি বৃদ্ধি, বিচারিক সেবা উন্নয়ন এবং বিচারিক ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর ও সেবামূলক করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।


ফোকাল পারসন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল মান্নান। সভায় উপস্থিত ছিলেন চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সিনিয়র জুডিসিয়াল ও অন্যান্য জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটগণ।


জেলা পুলিশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ লুৎফর রহমান, এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা নৌ পুলিশের প্রতিনিধি, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক, চাঁদপুর কোস্ট গার্ডের প্রতিনিধি, জেল সুপারের প্রতিনিধি, জেলা মৎস্য কর্মকর্তার প্রতিনিধি, জেলার সকল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি বাবর বেপারী ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. জসিম মেহেদী, রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান কৌসুলি অ্যাড. কুহিনুর রশিদ।


সভায় বিচার বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয় এবং ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও গতিশীল করার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

এছাড়া আইনের শাসন সমুন্নত রাখতে ও ন্যয়বিচার প্রতিষ্ঠায় আইন প্রয়োগে পেশাদারিত্ব বজায় রাখার আহবান জানানো হয়।