চাঁদপুর সকাল

আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা অনুদানের আবেদন শুরু : সময় ৩০ জুন পর্যন্ত

২৭ দিন আগে
আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা অনুদানের আবেদন শুরু : সময় ৩০ জুন পর্যন্ত
দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের এককালীন আর্থিক চিকিৎসা অনুদান দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট। ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে শুরু করে স্নাতক ও সমমান পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা এই সহায়তার জন্য আবেদন করতে পারবেন। চলতি বছরের মে-জুন প্রান্তের জন্য অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

সোমবার (৪ মে) ট্রাস্টের সহকারী পরিচালক প্রফেসর মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন সোহাগের সই করা এক চিঠিতে এই তথ্যটি জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত এবং বর্তমানে চিকিৎসাধীন অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা চিকিৎসার মেয়াদে একবারই এই অনুদান পাবেন। এক্ষেত্রে দুর্ঘটনার সময়কাল এবং হাসপাতালে চিকিৎসার গ্রহণের সময় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অর্থবছর অথবা ব্যবধান এক বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে দুর্ঘটনাজনিত আঘাত ছাড়া অন্য কোনো কারণে অসুস্থ শিক্ষার্থীরা এই অনুদানের আওতায় পড়বেন না।

তবে এক্ষেত্রে শর্ত হচ্ছে, আবেদনকারী শিক্ষার্থীর পূর্ববর্তী শ্রেণিতে ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে। আর জিপিএ-এর ক্ষেত্রে এসএসসি ও এইচএসসি পর্যায়ে ৫.০০-এর মধ্যে ৩.৫০ এবং স্নাতক পর্যায়ে ৪.০০-এর মধ্যে জিপিএ ৩.০০ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা আবেদনের যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

সোমবার (৪ মে) ট্রাস্টের সহকারী পরিচালক প্রফেসর মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন সোহাগের সই করা এক চিঠিতে এই তথ্যটি জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত এবং বর্তমানে চিকিৎসাধীন অসচ্ছল ও মেধাবী শিক্ষার্থীরা চিকিৎসার মেয়াদে একবারই এই অনুদান পাবেন। এক্ষেত্রে দুর্ঘটনার সময়কাল এবং হাসপাতালে চিকিৎসার গ্রহণের সময় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অর্থবছর অথবা ব্যবধান এক বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে দুর্ঘটনাজনিত আঘাত ছাড়া অন্য কোনো কারণে অসুস্থ শিক্ষার্থীরা এই অনুদানের আওতায় পড়বেন না।

তবে এক্ষেত্রে শর্ত হচ্ছে, আবেদনকারী শিক্ষার্থীর পূর্ববর্তী শ্রেণিতে ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে। আর জিপিএ-এর ক্ষেত্রে এসএসসি ও এইচএসসি পর্যায়ে ৫.০০-এর মধ্যে ৩.৫০ এবং স্নাতক পর্যায়ে ৪.০০-এর মধ্যে জিপিএ ৩.০০ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা আবেদনের যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

এছাড়া সাধারণ শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে অভিভাবকের বার্ষিক আয় ২ লাখ টাকার কম হতে হবে। আর সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ১৩ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের সন্তানদের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট অফিস প্রধানের প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হবে।

ট্রাস্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আবেদনের সঙ্গে দুর্ঘটনার প্রমাণ হিসেবে জেলা পর্যায়ের সিভিল সার্জন, সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক বা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার দেওয়া চিকিৎসা সনদ আপলোড করতে হবে। তাছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের প্রত্যয়ন, জন্মনিবন্ধন সনদ, বাবা-মায়ের এনআইডি, ছবি এবং শিক্ষার্থীর অনলাইন ব্যাংক হিসাবের তথ্যের স্পষ্ট কপি জমা দিতে হবে।

আগ্রহী শিক্ষার্থীদের আগামী ৩০ জুন রাত ১১টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে নির্ধারিত লিংকে (https://www.eservice.pmeat.gov.bd/medical) গিয়ে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। যেহেতু পুরো প্রক্রিয়াটি অনলাইনে সম্পন্ন হবে, তাই কোনো হার্ড কপি ট্রাস্টের কার্যালয়ে পাঠানোর প্রয়োজন নেই।

আবেদনকারী বা তার বাবা-মায়ের সচল অনলাইন ব্যাংক হিসাবের তথ্য না থাকলে, অনুদানের টাকা পাঠানো সম্ভব হবে না বলেও আবেদনকারীদের সতর্ক করা হয়েছে।